Home নিউইয়র্কবাংলাদেশ সোসাইটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

বাংলাদেশ সোসাইটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

Muktochinta Online
০ comments ১৩ views

বায়ান্ন’র ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে অমর একুশে মহান শহীদ দিবস তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমব্রেলা সংগঠন হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ সোসাইটি।

এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাতে সিটির জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এখানে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মান করে ভাষা শহীদদের ষ্মরণে পুষ্পস্থবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সোসাইটি ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল প্রদান করা হয়। এবার পবিত্র রমজান মাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আয়োজিত হওয়ায় অনুষ্ঠান আয়োজনেও ছিলো ভিন্নতা, ছিলো অনুষ্ঠানে কোন রাজনৈতিক শ্লোগান না দেওয়ার সিদ্ধান্ত। সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মূল পর্বের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সোসাইটির ট্রাষ্টিবোর্ড সদস্য আব্দুর রহিম হাওলাদার, মোহাম্মদ আতরাউল আলম, ও কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম এবং সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান সহ সোসাইটির কর্মকর্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

এরপর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনকারী সংগঠনগুলোর নামের তালিকা পাঠ করেন এবং সংগঠনগুলো একে একে লাইনে দাঁড়িয়ে একুশের প্রথম প্রহরে অর্থাৎ স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১মিনিট থেকে একে একে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এসময় বাংলাদেশ সোসাইটি, বিএনপি, আওয়ামী লীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংগ্রাম পরিষদ, আওয়ামী পরিবার, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা, চট্টগ্রাম সমিতি, কুইন্স বাংলাদেশ সোসাইটি, বৃহত্তম লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ, গ্রেটার খুলনা সোসাইটি ইউএসএ, জেনারেশন ৭১, কুষ্টিয়া জেলা এসেসিয়েশন ইউএসএ, কিশোরগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ, প্রবাসী সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতি, সর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, ব্রাক্ষণবাড়িয়া সোসাইটি ইউএসএ, চাঁদপুর ফাউন্ডেশ নিউইয়র্ক, বিন্দাবন্দ এলামনাই এসোসিয়েশন, হবিগঞ্জ জেলা সমিতি, কুষ্টিয়া জেলা সমিতি, গোল্ডেন এজ হোমকেয়ার, নবাবগঞ্জ এসোসিয়েশন প্রভৃতি সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

শুরুতেই বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে প্রথমে সোসাইটির পক্ষ থেকে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় সোসাইটির কর্মকর্তা ও ট্রাষ্টিবোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় অমর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি…’ পরিবেশিত হয়। তবে পবিত্র রমজান মাসের কারণে অনুষ্ঠান আয়োজন সীমিত করা হয়। এর আগে বিশেষ দোয়া মুনাজাত করা হয়।

এবার পবিত্র রমজান মাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হওয়ায় আয়োজনেও ছিল ভিন্নতা। অনুষ্ঠানে কোনো রাজনৈতিক স্লোগান না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মূল পর্বের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন ট্রাস্টিবোর্ড সদস্য আব্দুর রহিম হাওলাদার, মোহাম্মদ আতরাউল আলম ও কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ানসহ সোসাইটির অন্যান্য কর্মকর্তারাও বক্তব্য রাখেন। এরপর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণকারী সংগঠনগুলোর নামের তালিকা পাঠ করেন। স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহর শুরু হলে সংগঠনগুলো একে একে লাইনে দাঁড়িয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

এ সময় বাংলাদেশ সোসাইটি, বিএনপি, আওয়ামী লীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংগ্রাম পরিষদ, আওয়ামী পরিবার, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা, চট্টগ্রাম সমিতি, কুইন্স বাংলাদেশ সোসাইটি, বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ, গ্রেটার খুলনা সোসাইটি ইউএসএ, জেনারেশন ৭১, কুষ্টিয়া জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ, কিশোরগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ, প্রবাসী সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতি, সাউথ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সোসাইটি ইউএসএ, চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক, বিন্দাবন্দ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, হবিগঞ্জ জেলা সমিতি, গোল্ডেন এজ হোমকেয়ার, নবাবগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

শুরুতেই বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে অস্থায়ী শহীদ মিনারে প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় সোসাইটির কর্মকর্তা ও ট্রাস্টিবোর্ড সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় অমর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি…’ পরিবেশিত হয়। তবে পবিত্র রমজান মাসের কারণে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত রাখা হয়। এর আগে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শুরুর আগে সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি আমব্রেলা সংগঠন। ‘এই সোসাইটি আমাদের সবার। এখানে কোনো রাজনীতি নেই। কেউ রাজনৈতিক স্লোগান দেবেন না। আমরা গত বছরের মতো কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা চাই না।’ তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানান এবং ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে সোসাইটির অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে একুশ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক আবুল কালাম ভূঁইয়া, সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান (জিলানী), প্রধান সমন্বয়কারী মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া (রুমি), সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ডিউক খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনিক রাজ, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, কার্যকরী সদস্য জাহাঙ্গীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল কাশেম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সোসাইটির বাংলা স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা বিশেষ কারণে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সোসাইটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে বিপুল সংখ্যক নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

মহান ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রভাতফেরির আয়োজন করা হয়। এতে রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলামসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। দূতাবাস প্রাঙ্গণে নির্মিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দূতাবাস মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, নাইজেরিয়া, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের শিল্পীরা অংশ নেন।

মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বেথনি পোলোস মরিসন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি। তিনি বলেন, মাতৃভাষা দিবস শুধু বাংলাদেশের মানুষের নয়, সমগ্র বিশ্বের মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক মর্যাদা রক্ষার প্রেরণা জোগায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নিউইয়র্ক (ইউএনএ)

You may also like

Leave a Comment