রোববার জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (কাকরাইল) এর মাল্টিপারপাস মিলনায়তনে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে জিএম কাদের এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে দেশকে রসাতলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। এই সময়ে নির্বাচন না হলে অথবা এই ধরনের ফলাফল না হলে ওই সরকার দেশে আঁকড়ে থাকতো আর তাতে করে দেশে দুর্ভিক্ষ ও গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা ছিলো। এই জন্য আমরা মনে করি দেশে একটা নির্বাচিত সরকার দরকার ছিলো। এই কারণেই আমরা বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছি।
তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি মনে করে- ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের কোন ফলাফল বিপর্যয় ঘটে নাই। এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ম্যাটিকুলাসলি ডিজাইনে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। আমাদের বিভিন্ন আসনে অত্যন্ত হাস্যকরভাবে ভোটের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের কিছু জনপ্রিয় প্রার্থীর কোন কোন আসনে ভোট শূন্য দেখানো হয়েছে। তারা পিআর পদ্ধতি মাথায় রেখে পার্টির ভোটের সংখ্যা শতকরা এক ভাগের নিচে রেখেছে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, চরম প্রতিকূল অবস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে জাতীয় পার্টিকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টি রাজপথের বিরোধী দল হিসাবে জনবান্ধব ভূমিকা পালন করবে। দেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি অম্লান ছিলো, আছে এবং থাকবে। নব নির্বাচিত সরকার কিছু প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ অর্থ ব্যবস্থার জন্য অশনি সংকেত।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সামনে জাতীয় পার্টি শক্তিশালী হবে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় পার্টি আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, ফখরুল ইমাম, শেরিফা কাদের, এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া, আলমগীর শিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়া প্রমুখ।