Home খেলাধুলা‘যুদ্ধে নামলে গুলি খাওয়ার ভয় করলে চলবে’

‘যুদ্ধে নামলে গুলি খাওয়ার ভয় করলে চলবে’

Muktochinta Online
০ comments views

পেস বোলাররা অন্যান্য ক্রিকেটারদের তুলনায় অনেক বেশি ইনজুরিতে পড়েন, কারণ ফাস্ট বোলিং শরীরের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। একজন পেস বোলারের শরীরে প্রতিটি ডেলিভারিতে নিজের ওজনের প্রায় ৮-১০ গুণ চাপ পড়ে।

বল করার সময় দৌড়ানো, লাফানো এবং বল ছাড়ার সময় শরীর যে মোচড় ও চাপ অনুভব করে, তা পেশী ও হাড়ের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বলের পর বল, ওভারের পর ওভার একইভাবে শরীরকে বাঁকিয়ে বা ঘুরিয়ে বল করার কারণে মেরুদণ্ড এবং পায়ের পেশীতে দীর্ঘমেয়াদী চাপ সৃষ্টি হয়। 

সাধারণত পেসারদের মেরুদণ্ডের নিচের অংশ হ্যামস্ট্রিং এবং গোড়ালিতে ইনজুরি বেশি হয়। এর ফলে ফাস্ট বোলারদের ক্যারিয়ার অন্যান্য ক্রিকেটারদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট হয়ে থাকে। এই ইনজুরির কারণে বিশ্বের অনেক পেসার খেলা ছেড়ে দিয়েছেন।

এই ইনজুরি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা বলেছেন, ইনজুরি কখনো বলে আসে না। আর আপনি যদি যুদ্ধে নামেন, তবে গুলি খাওয়ার ভয় করলে চলবে না। তেমনই ক্রিকেট খেললে চোট আসবে বা চোটে পড়বেন, এটা স্বাভাবিক।

আজ সোমবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারের শঙ্কা নিয়ে খেলতে নেমে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে জয় পায় বাংলাদেশ। দলের জয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরা হন রানা। 

খেলা শেষে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে সুস্থ রেখেছেন। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে যে, আমি আমার ফিটনেস নিয়ে যে কাজগুলো করি। সেগুলো আমি আমার অনুশীলনের বাইরে কিংবা যখন অনুশীলন চলে তখন ফিটনেস ট্রেনারের সাথে কাজ করি এবং তাদের সাথে কথা বলি যে, কীভাবে নিজের ফিটনেস বাড়ানো যায় বা আরও উন্নত করা যায়। যাতে খেলার সময় আমি মাঠের মধ্যে অনুভব করি যে আমি বল করছি কিন্তু কখনো ক্লান্ত হচ্ছি না।

এদিন ব্যাটিংয়ের সময় চোট পান নাজমুল হোসেন শান্ত। তাকে নিয়ে নাহিদ বলেন, শান্ত ভাই আজ অনেকক্ষণ ফিল্ডিং করেছেন এবং অনেকক্ষণ ব্যাটিংও করেছেন। আজ মাঠে অনেক গরম ছিল, তাই গরমে উনার পেশিতে টান লেগেছিল। কোনো ইনজুরি নয়, এখন আলহামদুলিল্লাহ্ ঠিক আছেন।

You may also like

Leave a Comment