ইউরোপিয়ান ফুটবলের মহরণ শুরুর আগেই বুধবার বড় একটি সুখবর পায় ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাবগুলো। ইউরোপিয়ান ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার (উয়েফা) নতুন গাণিতিক সমীকরণে নিশ্চিত হওয়া গেছে, আগামী মৌসুমেও চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে দেখা যাবে ইংল্যান্ডের অন্তত পাঁচটি ক্লাবকে। তবে আরও বিশেষ কিছু সমীকরণ মিললে ইউরোপের তিন প্রতিযোগিতায় সব মিলিয়ে প্রিমিয়ার লীগের ১১টি ক্লাবের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে!
চ্যাম্পিয়নস লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে মঙ্গলবার স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতে আর্সেনাল। গানারদের এ জয়ই মূলত প্রিমিয়ার লীগের অতিরিক্ত কোটা নিশ্চিত করেছে। উয়েফার ‘ইউরোপিয়ান পারফরম্যান্স স্পট’ (ইপিএস) নিয়মে শীর্ষ দুই লীগ এই বাড়তি সুবিধা পায়। টানা দ্বিতীয়বারের মতো এ তালিকায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখলো ইংল্যান্ড। বর্তমানে লীগ টেবিলে পয়েন্ট তালিকার পাঁচে থাকা লিভারপুলের জন্য এটি বড় স্বস্তি।
কেননা, সেরা চারে থাকতে না পারলেও, পাঁচে থেকে এখন তাদের সামনে চ্যাম্পিয়নস লীগের দরজা খোলা।
প্রিমিয়ার লীগ থেকে শীর্ষ ৫ দলের চ্যাম্পিয়নস লীগে খেলা এখন সময়ের ব্যাপার। তবে সংখ্যাটি বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। লিভারপুল বা অ্যাস্টন ভিলা লীগ টেবিলে পিছিয়ে থেকেও যদি ইউরোপিয়ান শিরোপা জিততে পারে, তবে চ্যাম্পিয়নস লীগে দলের সংখ্যা ৬ বা ৭-এ পৌঁছাতে পারে। এর সঙ্গে এফএ কাপ ও কারাবাও কাপের কোটা এবং ইউরোপা লীগের টিকিট মিলিয়ে আগামীবার ইউরোপিয়ান আসরগুলোতে অংশ নিতে পারে ইংল্যান্ডের মোট ১১টি ক্লাব।
প্রিমিয়ার লীগ টেবিলে বর্তমানে ৫ নম্বর স্থানের জন্য লড়াই জমে উঠেছে লিভারপুল, চেলসি ও এভারটনের মধ্যে। ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে আর্নে স্লটের লিভারপুল কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও, নিচের সারির দলগুলোর সঙ্গে ব্যবধান সামান্যই। তাই মৌসুমের শেষভাগে এসে আগামী চ্যাম্পিয়ন লীগ আসরে জায়গা করতে এখন প্রতিটি ম্যাচই হয়ে উঠেছে একেকটি অলিখিত ফাইনাল!