২০১১-১২ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদকে সর্বশেষ হারাতে পারেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। চ্যাম্পিয়নস লীগে বাভারিয়ানদের এক যুগের অপেক্ষার অবসানে শেষ হল।বানর্ব্যুতেই রিয়ালের বিপক্ষে এক রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ২-১ গোলে জিতেছে সফরকারীরা। লুইস দিয়াস ও হ্যারি কেইনের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর, ব্যবধান কমান কিলিয়ান এমবাপে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল উচ্চগতির ফুটবল, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। প্রথমার্ধের শেষদিকে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। ৪১তম মিনিটে সার্জে গ্যা-ন্যাব্রির নিখুঁত থ্রু পাসে অফসাইড ফাঁকি দিয়ে দৌড়ে গিয়ে নিচু শটে গোল করেন লুইস দিয়াজ।
বিরতির পরপরই ব্যবধান দ্বিগুণ করে বায়ার্ন। দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে মাইকেল ওলিসের পাস পেয়ে বক্সের কিনারা থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন হ্যারি কেইন। এতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা বাড়ায় রিয়াল। অবশেষে ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান কমান কিলিয়ান এমবাপ্পে। ডান দিক থেকে ট্র্রেন্ট অ্যালেক্সান্ডার-আর্নল্ডের নিচু ক্রসে ফার পোস্টে সহজ ট্যাপে গোল করেন ফরাসি তারকা।
শেষদিকে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় রিয়াল। তবে বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ছিলেন অনবদ্য। এমবাপ্পে ও ভিনিসিউস জুনিয়রের একাধিক শট ঠেকিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন অভিজ্ঞ এই গোলকিপার।
এই জয়ে দুই লেগের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পেল বায়ার্ন। এখন ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী থাকবে কোম্পানির শিষ্যরা। অন্যদিকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে পরের ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই রিয়ালের সামনে।