যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ন্যাটো মিত্রদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন না পেয়ে ‘স্পষ্টতই হতাশ’। এমনটাই বলেছেন ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুত্তে। বুধবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর রুটে সিএনএনের জ্যাক ট্যাপারকে বলেন, তিনি প্রেসিডেন্টের এই হতাশা বুঝতে পারেন। তিনি বৈঠকটিকে দুই ভালো বন্ধুর মধ্যে খোলামেলা ও সরাসরি আলোচনা হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে তিনি জানান, ইউরোপের অনেক দেশ ভিন্নভাবে সহায়তা করেছে- যেমন লজিস্টিক সহায়তা, আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি, ঘাঁটি প্রদানসহ বিভিন্ন সহযোগিতা। বৈঠকের পরও ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা অব্যাহত রাখেন। তিনি তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘ন্যাটো আমাদের প্রয়োজনের সময় পাশে ছিল না এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না। মনে রাখুন গ্রিনল্যান্ড- ওই বিশাল, খারাপভাবে পরিচালিত বরফখণ্ড!!!’
বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো থেকে সরে আসার কথা বিবেচনা করছে কি না- এ প্রশ্নে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ট্রাম্প সম্ভবত রুত্তের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করবেন। তবে রুত্তে এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। ট্রাম্প ন্যাটো ছাড়ার চেষ্টা করবেন কি না, সে প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন,
আমি যেমন বলেছি, হতাশা আছে- এটা স্পষ্ট। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি (ট্রাম্প) আমার যুক্তিগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন।
রুত্তে জোর দিয়ে বলেন, ইউরোপের অনেক দেশ ইরানের ‘অস্থিরতা রপ্তানির সক্ষমতা’ কমানোর বিষয়ে ট্রাম্পকে সমর্থন করে। এর আগে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আরও বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকারগুলো অবদান রাখবে।