Home সম্পাদকীয়জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা

জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা

Muktochinta Online
০ comments ২৩ views

ড. জাহাঙ্গীর আলম

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘতর হচ্ছে। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোতে। এতে বিপর্যস্ত হচ্ছে জনজীবন। বিধ্বস্ত হচ্ছে অর্থনীতি।

এ ধরনের সংঘাতের মানবিক ও অর্থনীতির ক্ষতি অনেক। ফলে মানুষের জীবনে নেমে আসে সীমাহীন ভোগান্তি। মানবিক ক্ষতিগুলোর মধ্যে রয়েছে জীবনহানি ও পঙ্গুত্ব, বাস্তুচ্যুতি, মানবিক আঘাত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যর ভগ্নদশা, পারিবারিক ও সামাজিক বিচ্ছেদ ইত্যাদি। অর্থনৈতিক ক্ষতির মধ্যে রয়েছে—সামরিক বাহিনীর অস্ত্র ও রসদের খরচ, অবকাঠামো বিনাশ, কৃষি ও কলকারখানায় উৎপাদন হ্রাস, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান হারানো ও বাণিজ্য সংকট।

এতে পুরো অর্থনীতির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাস পায়। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কর্মহীনতা এবং প্রবৃদ্ধি হ্রাসের কারণে মানবজীবনে নেমে আসে দুর্বিষহ ভোগান্তি।

সাম্প্রতিক পারস্য উপসাগরীয় সংঘাতের একটি বড় সমস্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে।

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় জাহাজ চলাচল দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরল গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় এই প্রণালি দিয়ে। গত এক মাসে পারস্য উপসাগরে অন্তত দুই হাজার ১৯০টি জাহাজ আটকা পড়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে কয়েক শ তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার। রয়েছে রাসায়নিক সার ভর্তি জাহাজ।

এতে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানিসংকট তীব্র হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে ক্ষেত্রবিশেষে দেড় থেকে প্রায় দুই গুণ। প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের মূল্য পৌঁছে গেছে ১২০ ডলারে। গত জানুয়ারিতেও যা ছিল ৬৫ ডলার। এতে পরিবহন খরচ বেড়েছে।  বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিনিয়োগ হ্রাস পাচ্ছে। কর্মসংস্থান কমে যাচ্ছে। বন্ধ্যত্ব সৃষ্টি হচ্ছে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে। একটা ‘স্টেগফ্লেশন’ অবস্থা বিরাজ করছে বিশ্বব্যাপী।

জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কাডব্লিউটিও প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ট্রেড আউটলুক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি তেল ও গ্যাসের দাম বছরজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী থাকে, তবে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমতে পারে ০.৩ শতাংশ। বিশ্ববাণিজ্য কমতে পারে ০.৫ শতাংশ। জ্বালানির দাম দীর্ঘ মেয়াদে বাড়তে থাকলে কৃষিতে সেচের সুবিধা সংকুচিত হবে। সার ব্যবহার কমে আসবে। উৎপাদন খরচ, ব্যবসা খরচ, ভোক্তা ব্যয় বেড়ে যাবে। এতে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পারস্য উপসাগরীয় সংঘাতের বহুমাত্রিক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। তেলসংকটের কারণে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষির উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে উৎপাদন হ্রাস ও প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান কমে যাচ্ছে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে তা দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। যুদ্ধকাল দীর্ঘ হলে আমাদের অর্থনীতির ক্ষতিও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ তার মোট জ্বালানি চাহিদার ৯৫ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে থাকে। এর দুই-তৃতীয়াংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েল সংঘাতের ফলে সৃষ্ট উপসাগরীয় যুদ্ধ আমাদের জ্বালানি খাতে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় কাতার, ওমান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। জ্বালানিসংকটের মুখে সরকার তেল ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করছে। কিছু পেট্রল পাম্প এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। চালু থাকা পেট্রল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং প্রয়োজনমতো তেল না পাওয়া থেকে মনে হয় সংকট অনেক গভীর। জ্বালানি তেল ও গ্যাসের অভাবে দেশের মোট ১৪৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ৩০টির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ডিজেলের অভাবে বিএসআরএসের মতো বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস তৈরি পোশাক খাতে দৈনিক পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় টেক্সটাইল মিলগুলোর উৎপাদনক্ষমতা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে কৃষি উৎপাদনে। এখন বোরো মৌসুম। মাঠে বোরো ধান বাড়ন্ত অথবা থোড় অবস্থায় আছে। এতে নিয়মিত সেচ দেওয়া দরকার।

আমাদের সেচ পাম্পগুলো প্রায় অর্ধেক ডিজেলচালিত। অথচ কৃষক প্রয়োজনীয় ডিজেল পাচ্ছেন না। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে সেচ। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় ডিজেলচালিত পাম্পগুলোর বেশির ভাগই জ্বালানিসংকটের কারণে অচল হয়ে পড়ে আছে। এতে এবার হ্রাস পাবে বোরোর উৎপাদন। আমাদের দেশের মোট ধান উৎপাদনের ৫৪ শতাংশই উৎপাদিত হয় বোরোর মৌসুমে। এ সময় উৎপাদন বিঘ্নিত হলে তা খাদ্য নিরাপত্তায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে। তা ছাড়া বর্তমানে কৃষকদের নির্ধারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে ডিজেল কিনতে হচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে খোলাবাজারে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিমাণ লিটারপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ধানের উৎপাদন খরচ। পোলট্রি ও ফিশারিজ সেক্টরেও দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রভাব। চিকেনের মৃত্যুহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাছ ধরার ট্রলারগুলো অপেক্ষাকৃত কম পরিচালন ক্ষমতায় মৎস্য আহরণ করছে। এমতাবস্থায় কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অবশ্য সাম্প্রতিক নিয়মিত বৃষ্টি দেশের কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। এতে পানি সেচের জন্য ব্যবহৃত ডিজেল কিছুটা সাশ্রয় হচ্ছে।

উপসাগরীয় সংঘাতের কারণে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর সারের বড় সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে আমাদের ইউরিয়া সারের ব্যবহার প্রায় ২৭ লাখ টন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ১৭ লাখ টনের বেশির ভাগই আসে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। বর্তমান সংঘাতের কারণে আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দেশে মোট পাঁচটি ইউরিয়া উৎপাদন ফ্যাক্টরি আছে। এর চারটিই গ্যাস সরবরাহের অনিশ্চয়তায় বন্ধ রয়েছে। একসময় দেশের মোট ব্যবহৃত ইউরিয়া সারের প্রায় ৮০ শতাংশই দেশে উৎপাদিত হতো। আমদানি করতে হতো প্রায় ২০ শতাংশ। এখন বিভিন্ন কারণে উৎপাদন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেড়েছে আমদানিনির্ভরতা। প্রয়োজনীয় সারের প্রায় ৮০ শতাংশই এখন আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের অভ্যন্তরে সার উৎপাদন বাড়ানো উচিত। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় গ্যাস সরবরাহ করে দেশের ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরিগুলো চলমান রাখা উচিত। বর্তমানে বোরো মৌসুমের জন্য সারের কোনো সমস্যা নেই। তবে আগামী আউশ ও আমন মৌসুম এবং পরবর্তী রবি মৌসুমের জন্য সার সরবরাহ বাড়ানো দরকার।

এবার বোরো মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাসায়নিক সারের সংকটের কথা শোনা গেছে। ক্ষেত্রবিশেষে সারের দামও বেড়ে গেছে কৃষক পর্যায়ে। ভবিষ্যতে সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিকল্প উৎস থেকে সার আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি জৈব সার ব্যবহারের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। কম্পোস্ট তৈরির জন্য তাঁদের সহায়তা দিতে হবে। আগে গ্রামে প্রায় প্রতি ঘরে গরু পালন করা হতো। জমিতে দেওয়া হতো প্রচুর গোবর সার ও ছাই। এখন প্রথাগত গরু পালন কমে গেছে। গোবর সারের মজুদ খুবই কম।

বিশ্ববাজারে তেল ও সারের দাম অনেক বেড়ে গেছে। তেলের দাম গড়পড়তা বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। সারের দাম বেড়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ। এর প্রভাব বাংলাদেশের কৃষি উপকরণ বাজারে পরিলক্ষিত হবে। এতে উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি জনিত খরচ তাড়িত মূল্যস্ফীতি কৃষিপণ্যের মূল্যকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে পারে। আরো বেড়ে যেতে পারে খাদ্য মূল্যস্ফীতি। এমতাবস্থায় কৃষি উৎপাদনের ওপর ভর্তুকি বাড়িয়ে উপকরণের মূল্য স্থিতিশীল রাখা উচিত। 

তেলের সরবরাহ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিকল্প উৎস হিসেবে নবায়নযাগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বর্তমান বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই নবায়নযোগ্য শক্তি হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাশ্রয়ী উৎস। এক হিসাবে দেখা যায়, যদি শিল্প-কারখানার ছাদ, অব্যবহৃত মাঠ এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের অবকাঠামো গড়ে তোলা যায়, তাহলে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এর জন্য বিনিয়োগ দরকার। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সহায়ক নীতিমালা থাকা দরকার। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নগদ সহায়তা দিয়ে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত সৌরশক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা উচিত।

তিন বছর ধরে বাংলাদেশ লাগাতার উচ্চ মূল্যস্ফীতির কবলে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ গত চার মাস নিরন্তর মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.১৩ শতাংশ। এটি ছিল গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৩০ শতাংশ। এর আগের মাস জানুয়ারিতে ৮.২৯ শতাংশ। ২০২৫ সালে গড়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৭৭ শতাংশ। এফএওর হিসাব অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে বৈশ্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি ২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক না হলে আগামী জুন মাস নাগাদ খাদ্যমূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমান সংকটকালে তাই আমাদের সার্বিক প্রচেষ্টা থাকা উচিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। নতুন সরকারের জন্য এটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে আপাতত নীতি সুদহার না কমিয়ে সরকারি খরচের গুণগত মান বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আহরণে গতিশীলতা আনা দরকার।

বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫৫ লাখের বেশি মানুষ কর্মরত আরববিশ্বে। সেসব দেশে তেল উৎপাদন আয় কমে গেলে এর সরাসরি অভিঘাত আসবে আমাদের রেমিট্যান্স আয়ের ওপর। প্রতিবছর আমাদের প্রায় আট বিলিয়ন ডলার আয় হয় উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। এখন প্রবাস আয়ে ভাটা পড়বে। তা ছাড়া বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পোশাক, চিংড়ি ও শাক-সবজি রপ্তানি হয় ওই সব দেশে। এতে রপ্তানি আয়ও হ্রাস পাবে। তা ছাড়া তেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এসব খাতে আমাদের আমদানি ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়বে। টাকার মান হ্রাস পাবে। এমতাবস্থায় আঁটসাঁট মুদ্রা ও রাজস্ব নীতি অনুসরণ করা খুবই প্রয়োজন। সামনে সরকারি কর্মচারীদের পে স্কেল বাস্তবায়নের চাপ থাকবে। এতে প্রয়োজন হবে প্রায় এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা। দেশের রাজস্ব আদায়ের বর্তমান নাজুক অবস্থায় কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর চাপ যথাসম্ভব সামাল দেওয়া উচিত।

লেখক : কৃষি অর্থনীতিবিদ, সাবেক উপাচার্য ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ

You may also like

Leave a Comment